মাটির গোপন ভাণ্ডার
মাটির নিচে লুকিয়ে থাকি, মাথা আমার দেখা যায়, জল পেলে তবেই আমি ধীরে ধীরে বড় হই ভাই। পাতা মেলে রোদ পোহাই, ফুলে ভরে যায় ডাল, মাটির কোলে জন্ম আমার—বলো তো আমি কী বল?
গাছের চারা 🌱
মাটির নিচে লুকিয়ে থাকি, মাথা আমার দেখা যায়, জল পেলে তবেই আমি ধীরে ধীরে বড় হই ভাই। পাতা মেলে রোদ পোহাই, ফুলে ভরে যায় ডাল, মাটির কোলে জন্ম আমার—বলো তো আমি কী বল?
গাছের চারা 🌱
নিজে রান্না করি না, তবু রান্নায় আমার নাম, এক চিমটি পড়লেই বদলে যায় খাবারের স্বাদ। সাদা আমার ছোট্ট দানা, থাকে পাত্র ভরে, বেশি দিলে মুখ কুঁচকাবে—বলো আমি কে রে?
লবণ
ডানা নেই, তবু আকাশে ভেসে যাই, হাওয়া পেলেই দূর দেশে চলে যাই। কখনো সাদা, কখনো কালো সাজ, কখনো আবার ঝরিয়ে দিই বৃষ্টির রাজ।
মেঘ
চারদিকে দেয়াল আছে, দরজা-জানালা নাই, তবু তার ভেতর কত রঙের খেলা পাই। জল ভরে রাখে তাকে, মাছ থাকে তার ঘরে, ঘরটি কিন্তু ভাঙলে সবাই দুঃখ করে।
অ্যাকোয়ারিয়াম
দরজার পাশে চুপটি করে সারাদিন দাঁড়াই, তুমি কাছে এলেই আমি সবার আগে জানাই। নিজে কোনো কথা বলি না, তবু শব্দ করি, কে ঢুকল আর কে বেরোল—খবর দিই তাড়াতাড়ি।
দরজার ঘণ্টা
মাথার ওপর মেলে ধরি সবুজ রঙের ছাতা, রোদ-বৃষ্টি দুটোতেই থাকি তোমার সাথে। মাটির বুকে দাঁড়িয়ে থাকি, হাঁটতে পারি না, আমার ডালে পাখি বসে—বলো তো আমি কে না?
গাছ 🌳
চোখ নেই, তবু চোখের বন্ধু, নাকের ওপর বসে থাকি। আমাকে ছাড়া ঝাপসা দুনিয়া, পরে নিলে স্পষ্ট দেখি! কিন্তু রাগ করলে খুলে রাখো— বলো তো আমি কে?
চশমা
মুখটা আমার বেশ বড়, সবকিছুই খাই, কাগজ, বোতল, ময়লা পেলেই এক নিমিষে গিলি ভাই! নিজে কিন্তু কখনো বলি না, “আর খাব না”—বলো কে তাই?
ডাস্টবিন
ঘরে ঢুকেই গুনগুন করি, কানে লাগে সুর, আমায় ধরতে গেলেই দেখি হাওয়া হয়ে দূর! কখনো জানালার পাশে বসি, কখনো ছাদের কোণে— বলো তো আমি কে, যে গুনগুন করি ক্ষণে ক্ষণে?
মাছি
সূর্যের চারপাশে ঘুরি, আমার নেই কোনো ডানা, জল আর স্থল মিলে আমার সুন্দর ঠিকানা। মহাকাশ থেকে নীল দেখায় আমার পুরো গা, মানুষ, পশু, গাছের ঘর—বলো তো আমি কে বা?
পৃথিবী 🌍
পৃথিবীর পাশেই আমার মহাকাশের ঠিকানা, লাল রঙের জন্য পেয়েছি বিশেষ এক নামখানা। আমার মাটিতে লোহার মরিচার ছাপ, সূর্যকে প্রদক্ষিণ করি—বলো তো আমার নাম?
মঙ্গল গ্রহ 🔴
জলে থাকি, কিন্তু মাছ নই, বিশাল আমার দেহ। ফুসফুস দিয়ে নিই যে শ্বাস, সমুদ্রে কাটে সময় সেহে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী আমি, বলো তো কে আমি?
নীল তিমি 🐋